হাইওয়ে পুলিশ গঠন
প্রতিষ্ঠা থেকে বর্তমান পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশের যাত্রা, অধিক্ষেত্র ও গঠনের পটভূমি।
মহাসড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৫ সালের ১১ জুন রাজারবাগের টেলিকম ভবনে সদর দপ্তরে একজন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক এর নেতৃত্বে মাত্র ৫৫৭ জন জনবল ও ৪৮টি থানা/ফাঁড়ি নিয়ে হাইওয়ে পুলিশ যাত্রা শুরু করে।
প্রতিষ্ঠার সময়রেখা
- ১
১১ জুন ২০০৫
৫৫৭ জন জনবল · ৪৮টি থানা/ফাঁড়ি · কুমিল্লা ও বগুড়া অঞ্চল · উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক
- ২
বর্তমান
২৮৬১ জন জনবল · ৭৩টি থানা · ০৮টি রিজিয়ন · ১২টি সার্কেল · অ্যাডিশনাল আইজিপি
বিস্তৃতি
বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশ একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে ০৪ (চার)টি অপারেশন বিভাগে ০৮(টি) রিজিয়নে ১২ টি সার্কেল এবং ৭৩ টি থানায় ২৮৬১ জন জনবল নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া হাইওয়ে পুলিশ সদা জাগ্রত অবিরাম। সর্বমোট ৮,০৫৮ কিলোমিটার বিস্তৃত অঞ্চলে যার মধ্যে আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪,২৪৬ কিলোমিটার এবং জাতীয় মহাসড়ক ৩,৮১২ কিলোমিটার মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
“টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া”
অধিক্ষেত্র (হাইওয়ে পুলিশ বিধিমালা, ২০০৯)
২০০৯ সালের হাইওয়ে পুলিশ বিধিমালা অনুযায়ী মহাসড়ক এলাকার মূল রাস্তা, সোলডার, ফুটপাত এবং সড়কের পাদদেশ হতে উভয় পার্শ্বে ২০ ফুট পর্যন্ত এলাকায় চলাচলকারী সকল প্রকার যানবাহন, চালক, যাত্রী, ফুটপাতে চলাচলকারী এবং সকল প্রকার পণ্য পরিবহন হাইওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।
এছাড়াও সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন হাইওয়ে এলাকার মধ্যবর্তী নিম্নলিখিত স্থানসমূহও হাইওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত:
- ব্রীজ
- ফেরিঘাট
- ফেরি
- বাস স্টপেজ
- বাস স্টেশন
- বাস টার্মিনাল
- ট্রাক টার্মিনাল
- পেট্রোল পাম্প
- টোল প্লাজা
- যাত্রী বিরতি স্থান
- পার্কিং লট
অংশীজন সমন্বয়
এই বিধিমালা অনুযায়ী হাইওয়ে পুলিশ পরিবহন মালিক সমিতি, বাস, ট্রাক, কার্গো পরিবহন শ্রমিক সমিতির সাথে সমন্বয় করে মহাসড়কে সার্বক্ষণিক নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গঠনের পটভূমি
- ১.দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার ভূমিকা অপরিসীম।
- ২.জাতীয় অগ্রগতি ও উন্নয়নের অন্যতম সোপান হিসেবে আধুনিক ও কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় আনা হয়।
- ৩.গার্মেন্টস শিল্পসহ অন্যান্য শিল্পের দ্রুত বিকাশ, রপ্তানী বৃদ্ধি ও মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে মহাসড়কে ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চলাচল বৃদ্ধি।
- ৪.মহাসড়কে চুরি, ডাকাতি, মাদক ও চোরাচালান ইত্যাদি প্রতিরোধ।
- ৫.চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর, মংলা সমুদ্র বন্দর, পায়রা সমুদ্র বন্দর ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, সরকারী ও বেসরকারী ১০০টি ইকোনোমিক জোন ও ২৪ টি স্থলবন্দরের সাথে মহাসড়কের সংযোগ সড়কের নিরাপত্তা।
- ৬.পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ।
- ৭.বাস্তবায়নাধীন ৬টি International Connectivity Corridor (Asian Highway, SAARC Highway, SASEC Highway, BIMSTEC Corridor, BCIM Corridor, BBIN Highway)।